
ছবিগুলো – সংগৃহীত।
অনলাইন ডেস্কঃ
ক্রিমিয়া উপদ্বীপের সাথে রাশিয়াকে সংযুক্তকারী ইউরোপের বৃহত্তম সড়ক ও রেল সেতুতে ইউক্রেনের হামলার ঘটনায় প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মঙ্গলবার ১৮জুলাই বার্তা সংস্থা এএফপির বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি।ইউক্রেন আনুষ্ঠানিক ভাবে হামলার দায় স্বীকার করেনি।
ক্রিমিয়াকে রাশিয়ার সাথে সংযুক্তকারী সেতুতে ইউক্রেনের হামলায় দুই বেসামরিক নাগরিক নিহত ও শিশু আহত হওয়ার ঘটনায় প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
পুতিন বলেছেন, “এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় প্রস্তাবনা তৈরি করছে।”
১৭ জুলাই সোমবার টেলিভিশনে করা মন্তব্যে তিনি বলেছেন, “গত রাতে সেতুতে আরেকটি সন্ত্রাসী হামলা করা হয়েছে। অবশ্যই, রাশিয়ার কাছ থেকে এই হামলার জবাব দেওয়া হবে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রস্তাব প্রস্তুত করছে।”
রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন আরও বলেন, “সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকে, এই ধরনের হামলা একটি অর্থহীন অপরাধ।”
বৃহৎ এই সেতুটি ‘দীর্ঘ সময় ধরে’ সামরিক পরিবহনের জন্য ব্যবহার করা হয়নি এবং সেখানে তিনি কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার আহ্বান জানিয়েছেন। তার ভাষায়, “আমি এই কৌশলগত ও গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন অবকাঠোমোর নিরাপত্তা আরও উন্নত করার জন্য নির্দিষ্ট প্রস্তাবের জন্য অপেক্ষা করছি” বলে জানান পুতিন।
রুশ কর্মকর্তারা এই বিষয়ে বলেছেন, মস্কো নির্মিত এই সেতুতে ইউক্রেনের হামলায় এক বেসামরিক দম্পতি নিহত এবং তাদের সন্তান আহত হয়েছেন। সোমবার স্থানীয় সময় ভোররাতে দু’টি ড্রোন সেতুতে আঘাত করে এবং এর জন্য সরাসরি ‘কিয়েভ সরকারকে’ দোষারোপ করছে মস্কো।”
ইউক্রেনে আক্রমণ শুরুর পর থেকে মস্কো অধিভুক্ত ক্রিমিয়ার বাণিজ্যিক ফ্লাইটগুলো স্থগিত করা হয়েছে। অনেক রাশিয়ান পর্যটক সাধারণত সেতুর ওপর দিয়ে ক্রিমিয়ায় যাতায়াত করেন।
ইউক্রেনের একটি সূত্র বার্তাসংস্থা এএফপিকে জানায়, “ইউক্রেনীয় নৌবাহিনী এবং এসবিইউ নিরাপত্তা পরিষেবা রাশিয়ান নির্মিত এই সেতুতে রাতের আঁধারে হামলা চালিয়েছে।”
রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী মারাত খুসনুলিন পুতিনকে জানিয়েছেন, “হামলার পরও সেতুটির সহায়ক কাঠামো অক্ষত রয়েছে।”
মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, “রাশিয়ার সাথে ক্রিমিয়ার সংযোগকারী এই সেতুটি হামলার একদিন পর আংশিকভাবে আবার খুলে দেওয়া হয়েছে বলে রাশিয়ান সরকার বলেছে।”
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে সামরিক অভিযান চালিয়ে রাশিয়া ইউক্রেনের কাছ থেকে ক্রিমিয়া দ্বীপের দখল নিয়েছিলো। পরে এই দ্বীপের সাথে রাশিয়ার রেল যোগাযোগ এবং সড়ক ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য দীর্ঘ ১৯ কিলোমিটার সেতুটি নির্মাণ করা হয়।
ক্রিমিয়া দ্বীপ দখলে নেওয়ার চার বছর পর ২০১৮ সালে সেতুটিকে রাশিয়ার পরিবহন নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত করে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মহা ধুমধাম করে সেটির উদ্বোধন করেছিলেন।
১২ মাইল অর্থাৎ ১৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়ক ও রেল সেতুটি গত বছরের অক্টোবরেও একটি বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
ক্রেমলিন তখন বলেছিলো, “ইউক্রেনীয় নিরাপত্তা বাহিনী ওই হামলা চালিয়েছিল।” তবে, কয়েক মাস
পর পরোক্ষভাবে এই হামলার কথা স্বীকার করে ইউক্রেন
Leave a Reply