অনলাইন ডেস্কঃ
হবিগঞ্জ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের নিয়োগকৃত কাজী মাহমুদ হোসেন ভ্রমন ভিসায় দুই মাসের ছুটি নিয়ে বিদেশ গমন করলেও ফিরে আসেননি।তারপর ও তিনি আরও দুই মাসের ছুটি বৃদ্ধির আবেদন করেছেন।
তবে সেই আবেদনও সংশ্লিষ্টদের গাফিলতির কারণে দীর্ঘ ৫ মাসেও মঞ্জুর হচ্ছে না।সেজন্য এখন অতিরিক্ত হিসেবে ৬নং ওয়ার্ডের কাজী আব্দুল মন্নান ২ মাসের জন্য দায়িত্ব পালন করছেন।
অভিযোগ উঠেছে, “ভ্রমণ ভিসায় লন্ডনে যাবার জন্য দুই মাস ছুটি নেয়ার পর সেই ছুটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে কাজী মাহমুদ হোসেন অতিরিক্ত ছুটি মঞ্জুরের জন্য গত ২৩ ফেব্রুয়ারী জেলা রেজিস্ট্রার বরাবর আবেদন করেন।”
গত (২৮ ফেব্রুয়ারী) ছুটি মঞ্জুরের আবেদনটি আইন মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেন বলে রেজিস্ট্রার কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে জানা গেছে।
তবে রহস্যজনক কারণে গত ৫ মাসেও কাজী মাহমুদ হোসেনের ছুটি মঞ্জুরের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। ফলে কাগজপত্রে ওই ওয়ার্ডের কাজী হিসেবে তিনিই বহাল রয়ে গেছেন।
এখানে ভারপ্রাপ্ত কাজী আব্দুল মন্নানের মেয়াদকালও অতিবাহিত হয়েছে অনেক আগেই। এ ছাড়া নতুন কোনো কাজী নিয়োগ না দেয়ায় কিংবা কাজী মাহমুদ হাসানেরও ছুটি মঞ্জুরের বিষয়টি কোনো সুরাহা না হওয়ায় তারই পিতা স্বেচ্ছায় অবসর নেয়া সাবেক কাজী নজমুল হোসেন দায়িত্ব পালন করছেন। যা সম্পূর্ণ অবৈধ বলে মনে করছেন অনেকে। এরকম ভাবে কর্মকান্ড চালিয়ে যাওয়া কাজী নীতিমালার সম্পূর্ণ বিরোধী বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
৭নং ওয়ার্ডের একাধিক বাসিন্দা জানান, “নির্দিষ্ট কোনো কাজী না থাকায় তারা বিভ্রান্তির শিকার হচ্ছেন। জানা গেছে, স্বেচ্ছায় অবসর নেয়ার পর ছেলেকে কাজীর দায়িত্ব পাইয়ে দেয়ার পর তার কোনো সাইনবোর্ড দেননি বরং পূর্বে সাটানো নিজের নামে সাইনবোর্ড ব্যবহার করে কাজী হিসেবে কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন।”
সূত্র- দৈনিক হবিগঞ্জ সমাচার
Leave a Reply